অতিরিক্ত পরিবেশ দুষক নির্গমন ইত্যাদি
৯। ১[(১) যে ক্ষেত্রে কোন কাজ বা ঘটনা বা কর্মকান্ড বা কোন দুর্ঘটনার ফলে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণের অতিরিক্ত পরিবেশ দূষক নির্গত হয় বা নির্গত হইবার আশংকা থাকে, সেই ক্ষেত্রে তদ্রূপ নির্গমনের জন্য দায়ী ব্যক্তি এবং নির্গমন স্থানটির দখলকার ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বা প্রশমন করিতে বাধ্য থাকিবেন]
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন সৃষ্ট ঘটনা বা ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনার কথা উক্ত উপ-ধারায় উল্লেখিত ব্যক্তি মহাপরিচালককে অবিলম্বে অবহিত করিবেন৷
২[(৩) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা বা দুর্ঘটনার তথ্য প্রাপ্ত হইলে মহাপরিচালক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, যথাশীঘ্র সম্ভব, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বা প্রশমন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা অন্য যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিবেন এবং নির্দেশিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ বা প্রতিষ্ঠান মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বাধ্য থাকিবেন।]
(৪) এই ধারার অধীন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমনের জন্য প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ব্যয়কৃত অর্থ উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যক্তির নিকট হইতে মহাপরিচালকের পাওনা হইবে এবং উহা সরকারী দাবী (Public Demand) হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
৩[(৫) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন কর্মকান্ডের ফলে নির্গত বর্জ্য বা দূষক মহাপরিচালক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কতৃর্ক তাৎক্ষনিক পরীক্ষায় নির্ধারিত মানমাত্রা অতিক্রম করিয়াছে প্রমাণিত হইলে উক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।]
সংশোধনী টীকা (৩)
- উপ-ধারা (১) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৫০ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
- উপ-ধারা (৩) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৫০ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
- উপ-ধারা (৫) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৫০ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে সংযোজিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১ নং আইন), ধারা ৯ — bdlaws.minlaw.gov.bd। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।