অবৈধ চলাচল
(১) বিপজ্জনক পদার্থ বা বিপজ্জনক বর্জ্য এর কোন চালান বা কনসাইনমেন্ট (consignment) বা লট (lot) এর চলাচল অবৈধ বলিয়া গণ্য হইবে, যদি—
(ক) উহাতে সরকারের অনুমতি না থাকে; অথবা
(খ) উহাতে সরকারের অনুমতি রহিয়াছে, কিন্তু উক্ত অনুমতি মিথ্যাচার বা শঠতার মাধ্যমে প্রাপ্ত হইয়াছে; অথবা
(গ) সংশ্লিষ্ট দলিলপত্রের সহিত বাস্তবে মালামালের গরমিল হয়।
(২) অবৈধভাবে রপ্তানীকৃত বিপজ্জনক পদার্থ বা বিপজ্জনক বর্জ্য রপ্তানীকারক গন্তব্য বন্দরের নিকটবর্তী বহিঃনোঙ্গরে পেঁৗছার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নিজ খরচে ফেরৎ নিতে বাধ্য থাকিবে।
(৩) কোন নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত কারণে উপ-বিধি (২) অনুযায়ী অবৈধভাবে রপ্তানীকৃত বিপজ্জনক পদার্থ বা বিপজ্জনক বর্জ্য ফেরৎ লওয়া অথবা ফেরৎ প্রদান করা সম্ভবপর না হইলে সংশ্লিষ্ট চালানের সমুদয় মাল আটক করিয়া বিনষ্ট করা হইবে এবং ইহাতে যে পরিমাণ ব্যয় হইবে তাহা সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশী আমদানীকারক বা, ক্ষেত্রমত, রপ্তানীকারকের নিকট হইতে আদায় করা হইবে।
(৪) উপ-বিধি (৩) অনুসারে কোন বিপজ্জনক পদার্থ বা বর্জ্য বিনষ্ট বা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
তথ্যসূত্র: বিপজ্জনক বর্জ্য ও জাহাজভাঙ্গার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১১ — এস. আর. ও নং ৩৬৯-আইন/২০১১, তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১১; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ২২ ডিসেম্বর ২০১১, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ১২। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।