বর্জ্য সৃজনকারী এবং ব্যবহারকারীর দায়িত্ব
(১) তফসিল ১৩ এ বর্ণিত লৌহজাত নহে এইরূপ ধাতব বর্জ্য বা ব্যবহৃত তৈল বা বর্জ্য তৈল সৃজনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কারখানার পরিচালনকারী তাহার কার্যক্রমে সৃজিত ধাতব বর্জ্য বা ব্যবহৃত তৈল বা বর্জ্য তৈল কমপক্ষে ১২০ (একশত বিশ) দিনের জন্য ছাড়পত্রধারী ব্যতীত অন্য কাহারও নিকট বিক্রয় বা হস্তান্তর করিতে পারিবেন না।
(২) তফসিল ১৪ এ বর্ণিত মাত্রা বহির্ভূত বর্জ্য তৈল বিপজ্জনক বর্জ্য পোড়ানোর চুল্লীতে পোড়াইয়া নিষ্পন্ন করা ব্যতীত অন্য কাহারও নিকট দান, প্রদান বা বিক্রয় বা হস্তান্তর করা যাইবে না এবং উক্ত বর্জ্য তৈল সৃষ্টিকারীর অথবা পরিবেশগত ছাড়পত্রধারী বিপজ্জনক বর্জ্য পোড়ানোর অঙ্গারিণীর (Incinerator) মালিক বা দখলকারকের দখলে ছাড়া অন্য কাহারও দখলে রাখা যাইবে না।
(৩) বিপজ্জনক বর্জ্য সৃষ্টিকারী তাহার কার্যক্রমে সৃষ্ট বর্জ্য সৃষ্টির তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের বেশী জমাইয়া রাখিতে পারিবেন না এবং কোন বিপজ্জনক বর্জ্যের ক্রেতা বা গ্রহীতা তাহার ক্রয়কৃত বা গৃহীত বর্জ্য ক্রয় বা গ্রহণের তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের অধিক জমা রাখিতে পারিবেন না।
(৪) লৌহজাত নহে এইরূপ ধাতব বর্জ্য, ব্যবহৃত তৈল এবং বর্জ্য তৈল সৃষ্টিকারী প্রত্যেক শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কারখানা পরিচালনকারী প্রত্যেক বৎসর ৩১শে জানুয়ারি তারিখের মধ্যে ছক-২ অনুযায়ী বার্ষিক বিবরণী মহাপরিচালকের নিকট দাখিল করিবেন।
(৫) লৌহজাত নহে এইরূপ ধাতব বর্জ্য, ব্যবহৃত তৈল এবং বর্জ্য তৈল এর প্রত্যেক পুনর্ব্যবহারোপযোগীকারী (recycler), পুনঃপরিশোধনকারী (re-refiner) এবং পোড়াইয়া বিনষ্টকারী চুল্লীর পরিচালনকারী প্রত্যেক বৎসর ৩১শে জানুয়ারী তারিখের মধ্যে ছক-৩ অনুসারে বার্ষিক বিবরণী মহাপরিচালকের নিকট দাখিল করিবেন।
(৬) প্রত্যেক বিপজ্জনক বর্জ্য সৃষ্টিকারী, পুনর্ব্যবহারোপযোগীকারী এবং পুনঃপরিশোধনকারী পরিবেশসম্মত প্রযুক্তি বা প্রক্রিয়া অনুসরণ করিবেন।
তথ্যসূত্র: বিপজ্জনক বর্জ্য ও জাহাজভাঙ্গার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১১ — এস. আর. ও নং ৩৬৯-আইন/২০১১, তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১১; বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ২২ ডিসেম্বর ২০১১, গেজেট PDF-এর পৃষ্ঠা ১৪। মূল গেজেট (PDF)। হালনাগাদ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬।