মজুরীকাল স্থিরিকরণ
আইনের টেক্সট
১২২। (১) ধারা ১২১ এর অধীন মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ মজুরী পরিশোধ সমপর্কে মজুরীকাল স্থির করিবেন।
(২) কোন মজুরীকাল এক মাসের উর্ধে হইবে না।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ১২২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
মজুরি পরিশোধের মেয়াদ ও পরিশোধের নোটিস
(১) শ্রমিকের মজুরি মাসিক বা সাপ্তাহিক বা দৈনিক বা চুক্তিভিত্তিক বা পিসরেট অনুযায়ী যেভাবেই নির্ধারণ করা হউক না কেন উহা শ্রমিককে পূর্বেই নোটিস আকারে অবহিত করিতে হইবে এবং কখন উহা কি উপায়ে পরিশোধ করা হইবে তাহাও নোটিশে উল্লেখ থাকিতে হইবে।
(২) শ্রমিকের মজুরি কোন্ কোন্ তারিখে পরিশোধ করা হইবে উহা নির্দিষ্ট করিয়া মালিক বা পে-মাস্টার প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পথে বা উহার নিকটবর্তী প্রকাশ্য স্থানে অন্যূন ১০ (দশ) দিন পূর্বে বাংলায় সহজবোধ্য ভাষায় লিখিত নোটিস দ্বারা বিজ্ঞাপিত করিবেন।
(৩) কোন বিশেষ কারণে বিজ্ঞাপিত তারিখ পরিবর্তনের প্রয়োজন হইলে সঙ্গে সঙ্গে উহার কারণ ও পরিবর্তিত তারিখ উল্লেখ করিয়া পুন:বিজ্ঞপ্তি জারি করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, এই পরিবর্তন পূর্বের নির্ধারিত তারিখের অন্তত ৩ (তিন) দিন পূর্বে হইতে হইবে এবং আইন নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রম করিতে পারিবে না।
(৪) অবসর গ্রহণের কারণে অথবা মালিক কর্তৃক তাহার ছাঁটাই, ডিস্চার্জ, অপসারণ, বরখাস্ত অথবা শ্রমিক কর্তৃক অব্যাহতি গ্রহণের কারণে অথবা অন্য কোন কারণে যদি কোন শ্রমিকের চাকরির ছেদ ঘটে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিকের শুধুমাত্র প্রাপ্য বকেয়া মজুরি তাহার চাকরির ছেদ ঘটিবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে এবং ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য পাওনা চাকরির ছেদ ঘটিবার তারিখ হইতে পরবর্তী অনধিক ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করিতে হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
- করণীয়
- মজুরিকাল ১ মাসের বেশি হবে না।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
দুই আইনেই মজুরিকাল ১ মাসের বেশি নয় (EPZ ধারা ২৬(১))।
EPZ ধারা ২৬ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ১২২ · মজুরীকাল স্থিরিকরণ
১২২। (১) ধারা ১২১ এর অধীন মজুরী পরিশোধের জন্য দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ মজুরী পরিশোধ সমপর্কে মজুরীকাল স্থির করিবেন।
(২) কোন মজুরীকাল এক মাসের উর্ধে হইবে না।
EPZ ধারা ২৬ · শ্রমিকের মজুরিকাল ও মজুরি পরিশোধের মেয়াদ
২৬। (১) কোনো শ্রমিকের মজুরিকাল ১ (এক) মাসের ঊর্ধ্বে হইবে না।
(২) কোনো শ্রমিকের যে মজুরিকাল সম্পর্কে তাহার মজুরি প্রদেয় হয় সেই কাল শেষ হইবার পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে তাহার মজুরি পরিশোধ করিতে হইবে।