মালিকের বাধ্যবাধকতা
আইনের টেক্সট
২৭৭৷ এই অধ্যায় এবং বিধির বিধান সাপেক্ষে, কোন মালিক-
(ক) তাহার প্রতিষ্ঠানে এই অধ্যায় এবং বিধির বিধানগুলি যথাযথভাবে মানিয়া চলা নিশ্চিত করিবেন;
(খ) বিধি অনুযায়ী তাহার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতা কর্মসূচী চালু করিবেন; এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহা যোগ্য কর্তৃপক্ষের সহিত রেজিস্ট্রি করিবেন;
(গ) তাহার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশা বা বৃত্তিতে নিযুক্ত ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে গড়ে অন্যুন এক-চতুর্থাংশ ব্যক্তিকে, অথবা যোগ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লিখিতভাবে অন্য কোন অনুপাত নির্ধারণ করিলে সেই অনুপাতে, শিক্ষাধীন হিসাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করিবেন ১[এবং শিক্ষাধীন হিসাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী শ্রমিকদের অগ্রাধিকার প্রদান করিবেন];
(ঘ) তাহার প্রতিষ্ঠানে যদি এই আইন বলবত্ হইবার পূর্ব হইতে শিক্ষাধীনতা কর্মসূচী চালু হইয়া থাকে তাহা হইলে উহাকে এই অধ্যায় এবং বিধির বিধানের সহিত সুসামঞ্জস্য করিয়া সংশোধন করিবেন, এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্তরূপ সংশোধিত কর্মসূচী যোগ্য কর্তৃপক্ষের সহিত রেজিস্ট্রি করিবেন;
(ঙ) মোট স্বাভাবিক কর্ম সময়ের অন্তত বিশ শতাংশ সময় শিক্ষাধীন শ্রমিক যাহাতে প্রয়োজনীয় তাত্ত্বিক শিক্ষা পান ইহা নিশ্চিত করিবেন;
(চ) সম্পূর্র্র্ণ নিজ খরচে শিক্ষাধীনতা কর্মসূচী প্রণয়ন ও চালু করিবেন; এবং
(ছ) যোগ্য কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে এমন কোন ব্যক্তিকে শিক্ষাধীন হিসাবে নিযুক্ত করিবেন না যিনি অন্য কোন মালিকের অধীন শিক্ষাধীন ছিলেন এবং তিনি তাহা পরিত্যাগ করিয়া আসিয়াছেন অথবা শৃঙ্খলা ভংগের কারণে মালিক কর্তৃক কর্মচ্যুত হইয়াছেন৷
সংশোধনী টীকা (১)
- ‘‘এবং শিক্ষাধীন হিসাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী শ্রমিকদের অগ্রাধিকার প্রদান করিবেন’’ শব্দগুলি ‘‘শিক্ষাধীন হিসাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করিবেন’’ শব্দগুলির পর বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৭৫ ধারাবলে সংযোজিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন), ধারা ২৭৭ — bdlaws.minlaw.gov.bd। সংকলিত পাঠ: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৩ নং আইন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর) পর্যন্ত। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২, গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২
মালিকের বাধ্যবাধকতা
(১) প্রত্যেক মালিক, যাহার উপর আইনের অষ্টাদশ অধ্যায় প্রযোজ্য, কোন বিশেষ পেশাকে শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশা হিসাবে ঘোষণা করিয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, যোগ্য কর্তৃপক্ষের নিকট তাহার প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশাসমূহের একটি তালিকা, অনুরূপ পেশায় বিভিন্ন শ্রেণিতে নিয়োজিত ব্যক্তির সংখ্যা এবং ধারা ২৭৭ মোতাবেক তৎকর্তৃক নিয়োজিত শিক্ষাধীন ব্যক্তির সংখ্যা উল্লেখ করিয়া একটি তালিকা দাখিল করিবেন।
(২) শিক্ষাধীনতাযোগ্য পেশায় পরবর্তীতে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হইলে অনুরূপ নিয়োগের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা যোগ্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।
(৩) প্রত্যেক মালিক বিধি মোতাবেক সরকারের নির্দেশপত্র অনুযায়ী তাহার প্রতিষ্ঠানে একটি শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম অনুমোদনের জন্য এবং যেখানে ইতিমধ্যেই অনুরূপ শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম চলমান রহিয়াছে, নির্দেশপত্র মোতাবেক সেইটি পুনরীক্ষণ করিবেন এবং উপরি-উক্ত নির্দেশপত্র কার্যকর হইবার তারিখ হইতে ১ (এক) মাস সময়ের মধ্যে যোগ্য কর্তৃপক্ষের নিকট অনুমোদনের জন্য দাখিল করিবেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ — এস.আর.ও. নং ২৯১-আইন/২০১৫, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫; বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৮৪-আইন/২০২২, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২; গেজেট ১ সেপ্টেম্বর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
EPZ-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
EPZ-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।