RMG Code — Rules for a Better TomorrowRMG Code
শ্রম আইন
ধারা২২

বরখাস্ত, ইত্যাদি ব্যতীত অন্যভাবে মালিক কর্তৃক শ্রমিকের চাকরির অবসান

১টি বিধিনির্দেশিকা আছে

আইনের টেক্সট

২২। (১) এই অধ্যায়ের অন্যত্র বিধৃত কোনো পন্থা ছাড়াও মালিক-

(ক) কোনো স্থায়ী শ্রমিকের ক্ষেত্রে ১২০ (একশত বিশ) দিনের,

(খ) অন্য শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৬০ (ষাট) দিনের,

লিখিত নোটিশ প্রদান করিয়া শ্রমিকের চাকরির অবসান করিতে পারিবেন।

(২) যেক্ষেত্রে মালিক বিনা নোটিশে কোনো শ্রমিকের চাকরির অবসান করিতে চাহেন সেক্ষেত্রে, তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন, প্রদেয় নোটিশের পরিবর্তে নোটিশ মেয়াদের জন্য মজুরি প্রদান করিয়া ইহা করিতে পারিবেন।

(৩) যেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন কোনো স্থায়ী শ্রমিকের চাকরির অবসান করা হয় সেই ক্ষেত্রে, মালিক শ্রমিককে তাহার প্রত্যেক সম্পূর্ণ বৎসরের চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রদান করিবেন এবং এই ক্ষতিপূরণ এই আইনের অধীন শ্রমিককে প্রদেয় অন্যান্য সুবিধার অতিরিক্ত হইবে।

(৪) এই ধারার অধীন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ জোনের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে, ১০ (দশ) বা ততোধিক শ্রমিকের একসাথে চাকরি অবসানের ক্ষেত্রে মালিককে জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এর সাথে পরামর্শ করিতে হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ২২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।

সংশ্লিষ্ট বিধি

বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ · এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২
বিধি ৩২

অভিযোগ তদন্ত, নিষ্পত্তি ও প্রতিকার

(১) আইনের ধারা ২৮ এর অধীন মালিকের নিকট অভিযোগ প্রেরণ করার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে মালিক সিদ্ধান্ত প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে অথবা, ক্ষেত্রমত, বিধি ২৬(৩) অনুযায়ী মালিকের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হইলে কোনো শ্রমিক উক্ত সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের যুগ্ম মহাপরিদর্শক বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন অভিযোগ প্রাপ্তির পর যুগ্ম মহাপরিদর্শক এক বা একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করিবেন।

(৩) তদন্ত কমিটি ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যথাযথভাবে সকল পক্ষের শুনানি গ্রহণ করিয়া যুগ্ম মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রতিবেদন উপস্থাপন করিবে এবং তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর যুগ্ম মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহা যথাযথ বিবেচনাপূর্বক উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

(৪) উপ-বিধি (১), (২) ও (৩) এ যাহা কিছু থাকুক না কেন, যে কোনো শ্রমিকের কোনো বিষয় সম্পর্কে কোনো অভিযোগ থাকিলে এবং তিনি তৎসম্পর্কে এই বিধির অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হইলে, তিনি বিষয়টি সরাসরি সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর কাম পরিদর্শকের নিকট উপস্থাপন করিতে পারিবেন এবং কাউন্সিলর কাম পরিদর্শক নিজে বিষয়টি নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন অথবা বিশেষ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য যুগ্ম মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং যুগ্ম মহাপরিদর্শক যথাযথ বিবেচনাপূর্বক উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

(৫) উপ-বিধি (৩) ও (৪) এর অধীন কোনো সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ কোনো শ্রমিক সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে মহাপরিদর্শক বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-বিধি (৫) এর অধীন অভিযোগ প্রাপ্তির পর মহাপরিদর্শক যুগ্ম মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ এক বা একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করিবেন এবং উক্ত তদন্ত কমিটি ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে যথাযথ সকল পক্ষের শুনানির পর মহাপরিদর্শক অথবা এতদুদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাহার যথাযথ বিবেচনাপূর্বক উক্ত বিষয়ে যাহা সঠিক ও যথাযথ মনে করিবেন সেইরূপ সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।

(৭) উপ-বিধি (৪) এর অধীন প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ কোনো শ্রমিক সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে ফরম-১৮ অনুযায়ী ইপিজেড শ্রম আদালতে লিখিতভাবে অভিযোগ উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

(৮) ইপিজেড শ্রম আদালত অভিযোগ প্রাপ্তির পর উভয়পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিয়া অভিযোগটি সম্পর্কে তাহাদের বক্তব্য শ্রবণ করিবে এবং উক্ত আদালতের বিবেচনায় যেইরূপ আদেশ প্রদান সঙ্গত বলিয়া মনে করে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিবে।

(৯) উপ-বিধি (৮) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ দ্বারা আদালত অন্যান্য প্রতিকারের মধ্যে অভিযোগকারীকে বকেয়া মজুরিসহ বা ব্যতীত তাহার চাকরিতে পুনর্বহাল করিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং কোনো বরখাস্ত, অপসারণ বা ডিসচার্জের আদেশকে কোনো লঘু দণ্ডে পরিবর্তিত করিতে পারিবে।

(১০) ইপিজেড শ্রম আদালতের কোনো আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোনো শ্রমিক আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ইপিজেড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিষয়ে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(১১) এই বিধির অধীন কোনো অভিযোগ বা আপিল দায়েরের জন্য কোনো কোর্ট ফি প্রদেয় হইবে না এবং উল্লিখিত অভিযোগ আইনের অধীন কোনো ফৌজদারী অভিযোগ বলিয়া গণ্য হইবে না।

(১২) এই বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ২২ এর অধীন প্রদত্ত চাকরির অবসানের আদেশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করা যাইবে না, যদি না অবসানের আদেশটি সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সদস্য হিসাবে শিল্প বিরোধে জড়িত থাকার কারণে প্রদত্ত হইয়াছে বলিয়া অভিযোগ করা হয় অথবা যদি না শ্রমিক আইনের অধীন প্রাপ্য সুবিধা হইতে বঞ্চিত হন।

বিধির পাতা খুলুনসূত্র: এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৪ অক্টোবর ২০২২, পিডিএফ পৃষ্ঠা ২১

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি

বাস্তবায়ন নির্দেশিকা

করণীয়
নোটিশ: স্থায়ী ১২০ দিন, অন্যরা ৬০ দিন, বা নোটিশের বদলে মজুরি; স্থায়ী শ্রমিককে প্রতি পূর্ণ বছরে ৩০ দিনের মজুরি। একসাথে ১০ বা তার বেশি শ্রমিকের ক্ষেত্রে জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের সাথে আগে পরামর্শ।

নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।

BLA-এর সাথে পার্থক্য

BLA-এর সাথে পার্থক্য

নোটিশ দুই আইনেই ১২০/৬০ দিন, ক্ষতিপূরণ বছরে ৩০ দিনের মজুরি। EPZ ধারা ২২(৪): একসাথে ১০ বা তার বেশি শ্রমিকের চাকরি অবসানে জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের সাথে পরামর্শ বাধ্যতামূলক।

BLA ধারা ২৬ পাশাপাশি দেখুন
BLA ধারা ২৬ · বরখাস্ত, ইত্যাদি ব্যতীত অন্যভাবে মালিক কতৃর্ক শ্রমিকের চাকুরীর অবসান

২৬৷ (১) এই অধ্যায়ের অন্যত্র বিধৃত কোন পন্থা ছাড়াও মালিক-

(ক) মাসিক মজুরীর ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিকের তেগত্রে, একশত বিশ দিনের,

(খ) অন্য শ্রমিকের তেগত্রে, ষাট দিনের,

লিখিত নোটিশ প্রদান করিয়া কোন স্থায়ী শ্রমিকের চাকুরীর অবসান করিতে পারিবেন৷

(২) এই অধ্যায়ের অন্যত্র বিধৃত কোন পন্থা ছাড়াও মালিক-

(ক) মাসিক মজুরীর ভিত্তিতে নিয়োজিত শ্রমিকের ক্ষেত্রে, ত্রিশ দিনের,

(খ) অন্য শ্রমিকের ক্ষেত্রে, চৌদ্দ দিনের,

লিখিত নোটিশ প্রদান করিয়া কোন অস্থায়ী শ্রমিকের চাকুরীর অবসান করিতে পারিবেন, যদি না এই অবসান যে অস্থায়ী কাজ সম্পাদনের জন্য শ্রমিককে নিযুক্ত করা হইয়াছে উহা সম্পূর্ণ হওয়া, বন্ধ হওয়া, বিলুপ্ত হওয়া বা পরিত্যক্ত হওয়ার কারণে হয়৷

(৩) যে ক্ষেত্রে মালিক বিনা নোটিশে কোন শ্রমিকের চাকুরীর অবসান করিতে চাহেন সে ক্ষেত্রে, তিনি উপ-ধারা (১) অথবা (২) এর অধীন, প্রদেয় নোটিশের পরিবর্তে নোটিশ মেয়াদের জন্য মজুরী প্রদান করিয়া ইহা করিতে পারিবেন৷

(৪) যে ক্ষেত্রে এই ধারার অধীন কোন স্থায়ী শ্রমিকের চাকুরীর অবসান করা হয় সেক্ষেত্রে, মালিক শ্রমিককে তাহার প্রত্যেক সম্পূর্ণ বত্সরের চাকুরীর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে ত্রিশ দিনের মজুরী, অথবা গ্রাচ্যুইটি, যদি প্রদেয় হয়, যাহা অধিক হইবে, প্রদান করিবেন এবং এই ক্ষতিপূরণ এই আইনের অধীন শ্রমিককে প্রদেয় অন্যান্য সুবিধার অতিরিক্ত হইবে৷

EPZ ধারা ২২ · বরখাস্ত, ইত্যাদি ব্যতীত অন্যভাবে মালিক কর্তৃক শ্রমিকের চাকরির অবসান

২২। (১) এই অধ্যায়ের অন্যত্র বিধৃত কোনো পন্থা ছাড়াও মালিক-

(ক) কোনো স্থায়ী শ্রমিকের ক্ষেত্রে ১২০ (একশত বিশ) দিনের,

(খ) অন্য শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৬০ (ষাট) দিনের,

লিখিত নোটিশ প্রদান করিয়া শ্রমিকের চাকরির অবসান করিতে পারিবেন।

(২) যেক্ষেত্রে মালিক বিনা নোটিশে কোনো শ্রমিকের চাকরির অবসান করিতে চাহেন সেক্ষেত্রে, তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন, প্রদেয় নোটিশের পরিবর্তে নোটিশ মেয়াদের জন্য মজুরি প্রদান করিয়া ইহা করিতে পারিবেন।

(৩) যেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন কোনো স্থায়ী শ্রমিকের চাকরির অবসান করা হয় সেই ক্ষেত্রে, মালিক শ্রমিককে তাহার প্রত্যেক সম্পূর্ণ বৎসরের চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রদান করিবেন এবং এই ক্ষতিপূরণ এই আইনের অধীন শ্রমিককে প্রদেয় অন্যান্য সুবিধার অতিরিক্ত হইবে।

(৪) এই ধারার অধীন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ জোনের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে, ১০ (দশ) বা ততোধিক শ্রমিকের একসাথে চাকরি অবসানের ক্ষেত্রে মালিককে জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এর সাথে পরামর্শ করিতে হইবে।