এই অধ্যায়ের অধীন বিধি প্রণয়ন
আইনের টেক্সট
৯২। এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো শ্রমিকের দ্বিতীয় তপশিলে উল্লিখিত ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত হইবার বিষয়ে নোটিশ প্রদান, ব্যাধির কারণ এবং তদন্ত সম্পর্কিত বিষয়;
(খ) চাকরি সম্পর্কিত বিশেষ পেশাজনিত ব্যাধি;
(গ) ক্ষতিপূরণ বণ্টন;
(ঘ) ক্ষতিপূরণ পরিশোধ পদ্ধতি;
(ঙ) চুক্তি, চুক্তি নিবন্ধিকরণ, চুক্তি নিবন্ধন করিতে ব্যর্থতার ফলাফল;
(চ) জখমের ফলে মৃত কোনো শ্রমিক সম্পর্কে প্রদেয় কোনো ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত অক্ষমতার অধীন কোনো ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ বণ্টন ও এতৎসংক্রান্ত বিষয়াদি;
(ছ) এই আইনের অধীন আদায়যোগ্য অর্থ আদায়;
(জ) ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক মাসিক ক্ষতিপূরণ পুনর্বিবেচনা; এবং
(ঝ) ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রদত্ত কোনো অর্থ হস্তান্তর করা সম্পর্কে অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবস্থা কার্যকরণ পদ্ধতি।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ২ নং আইন), ধারা ৯২ — bdlaws.minlaw.gov.bd। bdlaws-এ প্রকাশিত পাঠ (সংগ্রহের দিন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী টীকা নেই)। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬।
সংশ্লিষ্ট বিধি
ক্ষতিপূরণ হিসাবে বা অস্থায়ী অক্ষমতার কারণে প্রদেয় মাসিক মজুরি
পর্যালোচনাআইনের ধারা ৭৬ ও আইনের ধারা ৯২(জ) অনুযায়ী প্রদেয় মাসিক ক্ষতিপূরণ । পর্যালোচনার আবেদন নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে ডাক্তারি প্রত্যয়ন পত্র ব্যতীত ইপিজেড শ্রম আদালতে উপস্থাপন করা যাইবে, যথা:
(ক) মালিক কর্তৃক শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের অধিকার নির্ধারিত হইয়াছে এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাইয়াছে;
(খ) শ্রমিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণের অধিকার নির্ধারণ করা হইয়াছে এবং শ্রমিকের মজুরি কমিয়া গিয়াছে;
(গ) শ্রমিকের অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া সত্ত্বেও মালিক কর্তৃক শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ প্রদান আরম্ভ করিবার পর ক্ষতিপূরণ প্রদান বন্ধ করিয়া দেওয়া হইয়াছে;
(ঘ) বর্তমানে বলবৎ ক্ষতিপূরণের হার প্রতারণার মাধ্যমে বা অন্যায় প্রভাব দ্বারা বা অন্য কোনো অনুচিত পন্থায় মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক নির্ধারণ করা হইয়াছে;
(ঙ) মালিক অথবা শ্রমিক কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে রেকর্ড হইতে আপাত দৃষ্টিতে কোনো ভুল দৃষ্টিগোচর হয়।
ক্ষতিপূরণ বন্টন, পরিশোধ পদ্ধতি, অবন্টিত অর্থ হস্তান্তর ও বিনিয়োগ
(১) আইনের ধারা ৯২ (গ), (ঘ) ও (চ) এর প্রয়োজনে জখমের ফলে মৃত কোনো শ্রমিক সম্পর্কে প্রদেয় কোনো ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত অক্ষমতার অধীন কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদেয় থোক অর্থ ইপিজেড শ্রম আদালতে জমা প্রদান ব্যতীত ভিন্ন কোনো পন্থায় পরিশোধ করা যাইবে না।
(২) উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত কোনো ক্ষতিপূরণ যদি মালিক সরাসরি পরিশোধ করেন তাহা হইলে উহা ক্ষতিপূরণ পরিশোধ বলিয়া গণ্য হইবে না, যদি না সংশ্লিষ্ট শ্রমিক তাহার চাকরিকালীন বিধি ১৪৪ অনুযায়ী জখমজনিত কারণে তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ গ্রহণের জন্য তাহার কোনো উত্তরাধিকারীকে মনোনীত করিয়া থাকেন এবং সেই মনোনীত উত্তরাধিকারীকে ক্ষতিপূরণ প্রদত্ত হইয়া থাকে।
(৩) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মৃত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার কোনো পোষ্যকে মালিক ক্ষতিপূরণ বাবদ অগ্রিম অর্থ প্রদান করিতে পরিবেন এবং ইপিজেড শ্রম আদালত উক্ত পোষ্যকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ হইতে উক্ত অগ্রিম কর্তন করিয়া উহা মালিককে ফেরত প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো মৃত শ্রমিকের ক্ষেত্রে মৃতের দাফন-কাফন বা চিকিৎসা, মৃত দেহ পরিবহণ, ইত্যাদি বাবদ কোনো অর্থ প্রদান করা হইলে মালিক কর্তৃক অগ্রিম প্রদানকৃত কোনো অর্থ বা ইপিজেড শ্রম আদালতের মাধ্যমে পোষ্যকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ হইতে উক্ত অর্থ কর্তন করা যাইবে না।
(৪) ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রসিদ জমাকৃত ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে যথেষ্ট দায়মুক্তি হইবে।
(৫) উপ-বিধি (১) এর অধীন কোনো মৃত শ্রমিক সম্পর্কে ক্ষতিপূরণ বাবদ কোনো অর্থ জমা হইলে ইপিজেড শ্রম আদালত প্রয়োজনবোধে তৎকর্তৃক বিবেচিত উপযুক্ত পন্থায় নোটিশ প্রকাশ করিয়া অথবা প্রত্যেক পোষ্যের নিকট উহা জারি করিয়া ক্ষতিপূরণ বন্টন নির্ধারণের জন্য তৎকর্তৃক নির্ধারিত তারিখে উহার সম্মুখে হাজির হইবার জন্য তাহাকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৬) যদি ইপিজেড শ্রম আদালত তৎকর্তৃক প্রয়োজনীয় কোনো তদন্ত শেষে এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো পোষ্য বিদ্যমান নাই তাহা হইলে আদালত জমার তারিখ হইতে অন্যূন ২ (দুই) বৎসর পর উহার নিকট জমা অবন্টিত অর্থ শ্রমিকের কল্যাণের জন্য আইনের পঞ্চদশ অধ্যায়ের অধীনে গঠিত অংশগ্রহণ তহবিলে হস্তান্তর করিবে।
(৭) মালিক দরখাস্ত করিলে ইপিজেড শ্রম আদালত তৎকর্তৃক বণ্টনকৃত অর্থের একটি বিস্তারিত বর্ণনা তাহাকে সরবরাহ করিবে।
(৮) কোনো মৃত শ্রমিক সম্পর্কে জমাকৃত ক্ষতিপূরণ উপ-বিধি (৩) এর অধীন কর্তন সাপেক্ষে মৃত শ্রমিকের পোষ্যের মধ্যে অথবা তাহাদের কাহারও মধ্যে এইরূপ অনুপাতে বন্টন করা হইবে যাহা ইপিজেড শ্রম আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিবে অথবা আদালত নিজ বিবেচনায় যে কোনো একজন পোষ্যকে উহা বরাদ্দ করিতে পারিবে।
(৯) যেইক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালতে জমাকৃত কোনো ক্ষতিপূরণ কোনো ব্যক্তিকে প্রদেয় হয় সেইক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালত যে ব্যক্তিকে উহা প্রদেয় তিনি যদি কোনো আইনগত অক্ষমতার অধীন না হন তাহা হইলে তাহাকে প্রদান করিবে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে যিনি উহা পাওয়ার অধিকারী, তাহাকে প্রদান করিতে পারিবে।
(১০) যেইক্ষেত্রে আদালতে জমাকৃত কোনো থোক অর্থ আইনগত অক্ষমতার অধীন কোনো ব্যক্তিকে প্রদেয় হয় সে ক্ষেত্রে, উক্ত অর্থ উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে তাহার অক্ষমতাকালীন সময়ে ইপিজেড শ্রম আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিনিয়োগ বা ব্যবহার করা যাইবে।
(১১) যেইক্ষেত্রে আইনগত অক্ষমতার অধীন কোনো ব্যক্তিকে অর্ধ মাসিক ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হয় সেইক্ষেত্রে আদালত স্ব-ইচ্ছায় অথবা কোনো দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত ক্ষতিপূরণ তাহার অক্ষমতাকালীন সময় সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের কোনো পোষ্যকে অথবা আদালতের বিবেচনায় উক্ত শ্রমিকের কল্যাণ ব্যবস্থা করার জন্য উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত অন্য কোনো ব্যক্তিকে প্রদান করার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(১২) যেইক্ষেত্রে কোনো দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে অথবা অন্যভাবে ইপিজেড শ্রম আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো মাতা বা পিতা কর্তৃক উহার সন্তানের অবহেলার কারণে, অথবা কোনো পোষ্যের পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে, অথবা অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে, ক্ষতিপূরণ হিসাবে পরিশোধিত কোনো অর্থ বন্টন সম্পর্কে ইপিজেড শ্রম আদালতের কোনো আদেশ অথবা উক্তরূপ কোনো পোষ্যকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের বিনিয়োগ বা ব্যবহার সম্পর্কিত উহার কোনো আদেশ পরিবর্তন করা উচিত তাহা হইলে আদালত উহার উক্ত আদেশ পরিবর্তন করার জন্য অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যেইরূপ নূতন আদেশ দেওয়া প্রয়োজন সেইরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কোনো আদেশ কোনো ব্যক্তির জন্য হানিকর হইলে তাহাকে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অথবা কোনো ক্ষেত্রে যদি উক্ত আদেশের ফলে কোনো পোষ্য কর্তৃক তাহাকে পরিশোধিত কোনো ক্ষতিপূরণ ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হয় তাহা হইলে উক্তরূপ কোনো আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
(১৩) যেইক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালত উপ-বিধি (১২) এর অধীন কোনো আদেশ এই কারণে পরিবর্তন করে যে, কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধিত ক্ষতিপূরণ তিনি প্রতারণা, মিথ্যা পরিচয়, অথবা অন্য কোনো অসঙ্গত উপায়ে গ্রহণ করিয়াছেন সেইক্ষেত্রে উক্ত পরিশোধিত ক্ষতিপূরণ তাহার নিকট হইতে আদায় করা যাইবে।
(১৪) যেইক্ষেত্রে আদালতে জমাকৃত অর্থ আইনগত অক্ষমতার অধীন কোনো ব্যক্তিকে প্রদেয় হয় সেইক্ষেত্রে ইপিজেড শ্রম আদালতের নিকট জমাকৃত অর্থ সাধারণ শ্রমিকের কল্যাণার্থে আদালত বিধি ২৯৬ এ বর্ণিত অংশগ্রহণ তহবিলের সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাবে হস্তান্তর করিতে পারিবে।
(১৫) আইনগত অক্ষমতার অধীন কোনো ব্যক্তি অক্ষমতা মুক্ত হইলে তাহার অর্থ ফেরত পাইবেন।
(১৬) তহবিল হইতে ক্ষতিপূরণের অর্থ কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করিলে মুনাফাসহ সমুদয় অর্থ আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ফেরত পাইবেন।
(১৭) আইনগত অক্ষমতার (উত্তরাধিকারী) অধীন কোনো ব্যক্তি যখন আইনগত অক্ষমতা মুক্ত হইবেন তখন তাহাকে তাহার অংশের অর্থ মুনাফাসহ প্রদান করিতে হইবে।
(১৮) ইপিজেড শ্রম আদালত উপ-বিধি (১) বা উপ-বিধি (২) অনুযায়ী গৃহীত কার্যক্রমের রেকর্ড সংরক্ষণ করিবে।
চুক্তির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ
(১) আইনের ধারা ৯২ (ঙ) এর প্রয়োজনে যদি কোনো মালিক তাহার ব্যবসা বা বাণিজ্য চলাকালীন অথবা উহার প্রয়োজনে সাধারণত তাহার ব্যবসা-বাণিজ্যের অংশ এইরূপ কোনো কাজ বা উহার অংশ বিশেষ সম্পাদন করার জন্য অন্য কোনো ব্যক্তির, অতঃপর এই আইনের ধারায় ঠিকাদার সংস্থা বলিয়া উল্লিখিত সহিত চুক্তি করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত মালিক, কোনো শ্রমিক সরাসরি তাহার দ্বারা নিযুক্ত হইলে তাহাকে যে ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিতেন, উক্ত কার্য সম্পাদনের জন্য ঠিকাদার কর্তৃক নিযুক্ত শ্রমিককেও তিনি অনুরূপ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন এবং যেইক্ষেত্রে মালিকের নিকট হইতে কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয় সেইক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের জন্য ঠিকাদারের নিকট হইতে প্রাপ্ত মজুরি আমলে আনা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে উপ-বিধি (১) প্রযোজ্য সেইক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল বা মূল মালিক সমস্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করিবেন।
(৩) যেইক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল বা মূল মালিক মনে করেন যে, সংশ্লিষ্ট কোনো শ্রমিকের নিহত বা আহত হইবার ঘটনাটি বিশেষভাবে এবং বাস্তবিক অর্থে ঠিকাদারের পক্ষ হইতে কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘনের ফলে সঙ্ঘটিত হইয়াছে, তবে তিনি ইপিজেড শ্রম আদালতে ক্ষতিপূরণের পূর্ণ অর্থ জমা প্রদানের পর (যেইক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক নিহত হয় বা সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদানের পর যেইক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক আহত হয়), উক্ত অর্থের কত অংশ ঠিকাদার কর্তৃক প্রিন্সিপাল বা মূল মালিকের প্রদান করা উচিত, তাহা নির্ধারণের জন্য অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আবেদন প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ)দিনের মধ্যে তাহা নিষ্পত্তি করিবেন।
চুক্তি রেজিস্ট্রি করিতে ব্যর্থতার ফলাফল
আইনের ধারা ৯২(ঙ) এর বিধান অনুযায়ী যদি কোনো চুক্তি রেজিস্ট্রিকরণ প্রয়োজন হয় এবং এইরূপ কোনো চুক্তির স্মারক লিপি উক্ত বিধান অনুযায়ী ইপিজেড শ্রম আদালতে প্রেরণ করা না হয় সেইক্ষেত্রে মালিক এই অধ্যায়ের অধীন তৎকর্তৃক প্রদেয় ক্ষতিপূরণের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন এবং উক্ত আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ প্রদান না করিলে তিনি ক্ষতিপূরণ বাবদ শ্রমিককে পরিশোধিত অর্থের উহা চুক্তির অধীন অথবা অন্যভাবে অর্ধেকের অধিক কর্তন করিতে অধিকারী হইবেন না।
কতিপয় ব্যাধির নোটিশ প্রদান
(১) আইনের দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত হইবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিশ প্রদান ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার জন্য বিধি ৯৬ অনুসরণ করিতে হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় তফসিলে উল্লিখিত কোনো ব্যাধির প্রাদুর্ভাব ঘটে বা ঘটিয়াছে বলিয়া সন্দেহ হয় সেইক্ষেত্রে ব্যাধির কারণ ও তদন্ত সংক্রান্ত বিষয়ে বিধি ৯৭ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
(৩) আইনের ধারা ৯২(খ) এর প্রয়োজনে দ্বিতীয় তফসিলে উল্লিখিত ব্যাধি ছাড়াও কর্তৃপক্ষ শ্রমিকের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিবেচনায় চাকরি সম্পর্কিত বিশেষ পেশাজনিত ব্যাধি নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রদত্ত কোনো অর্থ হস্তান্তর করা সম্পর্কে অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে
ব্যবস্থা কার্যকরণ পদ্ধতি । আইনের ধারা ৯২(ঝ) এর অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নিম্নবর্ণিত বিষয়ে বিধি ১৭০ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করিবে
(ক) ইপিজেড শ্রম আদালতে জমাকৃত কোনো অর্থ যাহা অন্য কোনো দেশে বসবাস করিতেছেন অথবা করিতে যাইতেছেন এইরূপ কোনো ব্যক্তিকে প্রদেয় অথবা তাহার প্রাপ্য উক্ত দেশে হস্তান্তরের জন্য; এবং
(খ) বাংলাদেশে বসবাস করিতেছেন অথবা করিবেন এইরূপ কোনো ব্যক্তিকে প্রদেয় বা তাহার প্রাপ্য কোনো অর্থ যাহা অন্য কোনো দেশে শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ সম্পর্কিত কোনো আইনের অধীন জমা করা হইয়াছে বাংলাদেশে গ্রহণ, বণ্টন এবং পরিচালনার জন্য:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো মারাত্মক দুর্ঘটনা সম্পর্কে এই বিধির অধীন জমাকৃত কোনো অর্থ সংশ্লিষ্ট মালিকের সম্মতি ব্যতিরেকে উক্তরূপে হস্তান্তর করা যাইবে না যতক্ষণ পর্যন্ত জমাগ্রহণকারী ইপিজেড শ্রম আদালত ক্ষতিপূরণ বণ্টনের বিধান অনুযায়ী উক্ত অর্থের বণ্টন এবং ভাগ নির্ণয় করিয়া আদেশ প্রদান না করে।
আইনের অধীন আদায়যোগ্য অর্থ
আইনের ধারা ৯২ (ছ) এর অধীন যদি কোনো ইপিজেড শ্রম আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ প্রদানের জন্য রায় প্রদান করা হয় এবং উল্লিখিত অর্থ যথাসময়ে আদায় করা না হয় তাহা হইলে নির্ধারিত পন্থায় উক্ত অর্থ আদায়যোগ্য হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি
বাস্তবায়ন নির্দেশিকা
এই ধারার নির্দেশিকা পরবর্তী ধাপে যুক্ত হবে।
নির্দেশিকা ব্যবহারিক সহায়তার জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। Buyer code আইনের চেয়ে কঠোর হলে কঠোরটি মানুন।
BLA-এর সাথে পার্থক্য
BLA-এর সাথে পার্থক্য
এই ধারার জন্য আলাদা তুলনা নোট এখনও লেখা হয়নি।
BLA-এ সরাসরি সমতুল্য ধারা এখানে এখনও যুক্ত হয়নি।