বিধি ২০ — ছাঁটাইয়ের নোটিশ
ছাঁটাইয়ের নোটিশ
(১) আইনের ধারা ১৯ এর অধীন শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে মালিককে শেষে আসিলে আগে যাইবে পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে অর্থাৎ শ্রমিকের মধ্যে সর্বশেষ নিযুক্ত শ্রমিককে অগ্রে ছাঁটাই করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মালিক বিশেষ ক্ষেত্রে এবং একজন শ্রমিকের বিশেষ দক্ষতার কারণে উহার ব্যতিক্রম করিতে পারিবেন।
(২) শ্রমিককে প্রদত্ত ছাঁটাইয়ের নোটিশে নিম্নবর্ণিত তথ্যের উল্লেখ থাকিবে, যথা:-
(ক) প্রতিষ্ঠানের নাম;
(খ) শ্রমিকের নাম, পদবি ও কার্ড নম্বর;
(গ) ছাঁটাইয়ের কারণ;
(ঘ) ছাঁটাই কার্যকর হইবার তারিখ;
(ঙ) মোট চাকরিকাল;
(চ) শ্রমিকের প্রাপ্যতা; এবং (অ) নোটিশ পে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে); (আ) ক্ষতিপূরণ; (ই) অভোগকৃত বার্ষিক ছুটির মজুরি; (ঈ) বকেয়া মজুরি, অন্যান্য ভাতা ও অধিকাল ভাতা (যদি পাওনা থাকে); (উ) ভবিষ্য তহবিলের পাওনা (যদি থাকে); এবং
(ছ) পাওনা পরিশোধের তারিখ।
(৩) মালিককে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে অবহিতকরণ ও তাহার পরামর্শ গ্রহণ করিতে হইবে এবং অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ছাঁটাইয়ের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।
(৪) আইনের ধারা ১৯(২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের ধারা ১৫(৭) এর অধীন ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো নোটিশের প্রয়োজন হইবে না, তবে ছাঁটাইকৃত শ্রমিককে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) দিনের মজুরি প্রদান করিত হইবে।
(৫) প্রতিষ্ঠানের সকল শ্রমিককে ছাঁটাই করা হইলে প্রত্যেক শ্রমিককে ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ প্রদান না করিয়া একটি নোটিশ জারি করিয়া নোটিশ বোর্ডে এবং প্রকাশ্য স্থানে টাঙ্গাইয়া প্রদর্শন করিতে হইবে ও ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের তালিকাসহ নোটিশের একটি কপি সংশ্লিষ্ট জোনের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করিতে হইবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ১৫ · ধারা ১৯
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি