বিধি ৬৮ — বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা
বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা
(১) আইনের ধারা ৩৫(৩)(খ) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মকক্ষে নির্মল বায়ু চলাচল ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(২) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মকক্ষে তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখিতে হইবে যাহাতে উক্ত স্থানে কর্মরত শ্রমিক ভাল পরিবেশে কাজ করিতে পারেন এবং তাহার স্বাস্থ্যহানি রোধ হয় এবং প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মকক্ষে নির্মল বায়ু প্রবাহের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিপরীতমুখী জানালার ব্যবস্থা থাকিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেই স্থানে ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা রাখা সম্ভব নয় সেইখানে এক্সজাস্ট ফ্যান স্থাপন করা যাইবে:
আরও শর্ত থাকে যে, কর্মক্ষেত্রে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকিলে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থার প্রয়োজন হইবে না।
(৩) কর্মকক্ষের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখিবার জন্য কক্ষের দেয়াল এবং ছাদ এইরূপে তৈরি করিতে হইবে যাহাতে উক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি না পায় এবং, যতদূর সম্ভব, কম থাকে।
(৪) প্রত্যেক কর্মকক্ষে অন্তত একটি যথাযথ মানসম্পন্ন তাপ পরিমাপক যন্ত্র (থার্মোমিটার) দেয়ালের দৃশ্যমান স্থানে স্থাপন করিতে হইবে এবং উহা সচল অবস্থায় রাখিতে হইবে।
(৫) যেইক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রকৃতি এইরূপ হয় যে, ইহাতে অত্যধিক উচ্চ তাপ সৃষ্টি হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, সেইক্ষেত্রে যে উৎস হইতে উক্তরূপ উচ্চ তাপ সৃষ্টি হইতেছে উহাকে বা উহার উত্তপ্ত অংশকে তাপ অপরিবাহী বস্তু দ্বারা মুড়িয়া বা অন্য কোনো পন্থায় শ্রমিকের কর্মকক্ষ হইতে পৃথক করিবার জন্য যতদূর সম্ভব উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
(৬) যদি কর্তৃপক্ষের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে, কোনো প্রতিষ্ঠানের অতি উচ্চ তাপমাত্রা উহার পার্শ্ব দেয়াল, ছাদ, জানালা চুনকাম করিয়া, স্প্রে করিয়া, তাপ অপরিবাহী করিয়া, পর্দা দ্বারা, ছাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করিয়া বা অন্য কোনো বিশেষ পন্থায় হ্রাস করা সম্ভব তাহা হইলে কর্তৃপক্ষ উক্ত প্রতিষ্ঠানে উল্লিখিত যে কোনো উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ৩৫
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি