বিধি ৯ — শিক্ষাধীনতা (Apprenticeship) নীতিমালা
শিক্ষাধীনতা (Apprenticeship) নীতিমালা
(১) যেই সকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম থাকিবে সেই সকল প্রতিষ্ঠানের মালিক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারীর অনুমোদনক্রমে তাহার প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম নীতিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিভিন্ন পেশার শিক্ষাধীনতার মেয়াদ ও ভাতা, ইত্যাদি বিষয় অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(২) নীতিমালায় মালিক ও শ্রমিকের বাধ্যবাধকতা, শিক্ষাধীনতার স্থায়ীত্ব, শিক্ষাধীন শ্রমিকের ভাতা, ইত্যাদি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করিতে হইবে।
(৩) শিক্ষাধীন ব্যক্তির কাজের ঘন্টা, সাপ্তাহিক ছুটি, নৈমিত্তিক ছুটি, পাঁড়া ছুটি (বাৎসরিক ও অর্জিত ছুটি ব্যতীত) ও প্রসূতি কল্যাণ ছুটি (প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা ব্যতীত) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিযুক্ত অন্যান্য শ্রমিকের অনুরূপ হইবে এবং আইন ও এই বিধিমালা অনুযায়ী উহা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
(৪) কোনো শিক্ষাধীনতা কর্মসূচিতে শিক্ষাধীন ব্যক্তির জন্য অতিরিক্ত সময় কাজের ব্যবস্থা থাকিবে না।
(৫) প্রত্যেক শিক্ষাধীন ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, কারখানার পোশাক, যন্ত্রপাতি, বই-পুস্তক, ড্রইং সরঞ্জাম, কাঁচামাল প্রভৃতি বিনামূল্যে সরবরাহ করিতে হইবে এবং এই সকল দ্রব্যা মালিকের সম্পত্তি বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(৬) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী প্রয়োজনীয় সহকারীসহ শিক্ষাধীনতার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করিতে কোনো প্রতিষ্ঠানে বা উহার অংশ বিশেষে যে কোনো যুক্তিসঙ্গত সময় প্রবেশ করিতে, পরিদর্শন করিতে ও রক্ষিত কোনো রেজিস্টার, নথি বা দলিল দস্তাবেজ পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবে।
(৭) যেই সকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রম থাকিবে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী অফিস আদেশ দ্বারা সেই সকল প্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষ, মালিক এবং শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ কমিটি গঠন করিবে যাহাতে একজন আহ্বায়ক, একজন সদস্য-সচিব এবং মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমান সংখ্যক প্রতিনিধি থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ কমিটির মেয়াদ, পুনর্গঠন, শূন্যপদপূরণ ও অন্যান্য বিষয় অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি