বিধি ৩১ — অভিযোগ পদ্ধতি
অভিযোগ পদ্ধতি
(১) লে-অফ, ছাঁটাই, ডিসচার্জ, বরখাস্ত, অপসারণ অথবা অন্য যে কোনো কারণে চাকরির অবসান হইয়াছে এইরূপ শ্রমিকসহ যে কোনো শ্রমিকের, আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের অধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে যদি কোনো অভিযোগ থাকে এবং যদি তিনি আইনের ধারা ২৮ এর অধীন প্রতিকার পাইতে ইচ্ছুক হন তাহা হইলে তিনি অভিযোগের কারণ অবহিত হইবার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে অভিযোগটি লিখিত আকারে নিবন্ধন ডাকযোগে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকের নিকট প্রেরণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি সরাসরি গ্রহণ করিয়া লিখিতভাবে প্রাপ্তি স্বীকার করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগটি নিবন্ধন ডাকযোগে না পাঠাইলেও চলিবে।
(২) মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অভিযোগ প্রাপ্তির পর মালিক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের একজনকে তদন্ত কর্মকর্তা মনোনীত করে অভিযোগটি তদন্তের ব্যবস্থা করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নিম্নপদের কাউকে তদন্ত কর্মকর্তা মনোনয়ন করা যাইবে না।
(৩) তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগকারী শ্রমিককে শুনানির জন্য লিখিতভাবে নোটিশ জারি করিবেন এবং শ্রমিক উপস্থিত হইলে তাহার বক্তব্য গ্রহণপূর্বক তদন্ত কর্মকর্তা ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করিয়া মালিকের নিকট উপস্থাপন করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিক শুনানিতে উপস্থিত না হইলে তদন্ত কর্মকর্তা একতরফা তদন্ত সম্পন্ন করিয়া তাহার সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে মালিককে জানাইবেন।
(৪) মালিক উক্ত রিপোর্ট অনুযায়ী তাহার সিদ্ধান্ত পরবর্তী ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে লিখিতভাবে শ্রমিককে জানাইবেন।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ২৮
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি