বিধি ২৯৫ — অংশগ্রহণ তহবিলের নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ
অংশগ্রহণ তহবিলের নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ
(১) কর্তৃপক্ষ মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সহিত আলোচনাক্রমে অংশগ্রহণ তহবিলে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ বা হার নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ সময় সময় উল্লিখিত অর্থের হার বোর্ডের সহিত পরামর্শক্রমে পুনঃনির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(২) প্রত্যেক শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক সংশ্লিষ্ট ক্রেতা বা কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ গ্রহণ করিবার সময় উক্ত তহবিলের অনুদান প্রদানের বিষয়টি অবহিত করিবেন।
(৩) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংক আইনের ধারা ১৭৩(ক) এ বর্ণিত অর্থ রপ্তানি আদেশের অর্থ হইতে সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়পূর্বক পৃথক হিসাব বিবরণীসহ আদায়কৃত অর্থ তহবিলে জমা প্রদান করিবে।
(৪) এই বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে, সময় সময়, জারিকৃত নিদের্শনা অনুসরণ করিতে হইবে।
(৫) আইনের ধারা ১৭৩(খ), (গ) এবং (ঘ) এ বর্ণিত অনুদানের অর্থ তহবিলের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি জমা প্রদান করিতে পারিবে এবং দফা (ঙ)-তে বর্ণিত অর্থ মালিক কর্তৃক শ্রমিকের মজুরি প্রদানকালে আদায়পূর্বক তহবিলের ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করিবে।
সংশ্লিষ্ট ধারা (বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯): ধারা ১৭২ · ধারা ১৭৩
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ — এস.আর.ও. নম্বর ২৯৫-আইন/২০২২, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২; গেজেট ৪ অক্টোবর ২০২২। যাচাই: ০৭ অক্টোবর ২০২৬। যাচাই পদ্ধতি